যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শান্তি প্রস্তাবের বিপরীতে ইরানের পাঠানো জবাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার সকালে এশিয় বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
সংবাদের মূল বিষয়বস্তু:
- তেলের দাম বৃদ্ধি: ট্রাম্পের মন্তব্যের পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.২০ ডলারে এবং ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ৪ শতাংশ বেড়ে ৯৯.৩০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
- ইরানের শর্ত: পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো জবাবে ইরান অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা দাবি করেছে।
- ট্রাম্পের অবস্থান: ট্রাম্প ইরানের এই জবাবকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। মার্কিন প্রস্তাবে মূলত হরমুজ প্রণালিতে অবাধ চলাচল এবং ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধের শর্ত ছিল।
- হরমুজ প্রণালির প্রভাব: যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি সরবরাহের পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় বাজারে অস্থিরতা চলছে।
- জ্বালানি কোম্পানিগুলোর মুনাফা: তেলের দাম বাড়ায় সৌদি আরামকো, ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম এবং শেলের মতো বড় কোম্পানিগুলোর মুনাফা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আরামকোর আয় গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান: মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার ফলে যুক্তরাষ্ট্র এখন তেলের নিট রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি মিলিয়ে দেশটির দৈনিক রপ্তানি ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে।
সংঘাত নিরসনে গত ২১ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি চললেও স্থায়ী শান্তির প্রস্তাব নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।